সংসদ না ভেঙে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না:আখতারুজ্জামান:

নির্বাচন কমিশন আগামী অক্টোবরে সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে বলে সম্প্রতি একটি আগাম খবর বাজারে ছেড়েছে। লক্ষ্য বহুমুখী। ইসির লক্ষ্য যাই হোক না, এটি বাস্তব যে জনগণ নির্বাচন চায়। নির্বাচন সরকার এবং বিরোধী দলগুলোও চায়।

কারণ সরকার ও বিরোধীদলগুলোর সামনে নির্বাচন ছাড়া তেমন কোনো ভালো বিকল্পও তাদের সামনে খোলা নেই। দেশ, জাতি ও সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রীর স্বার্থে ২০১৯ সালের মার্চ মাসের একটি নির্বাচন হতেই হবে। এখন লক্ষ কোটি টাকার প্রশ্ন সেই নির্বাচন ২০১৪ সালের নির্বাচনের মতো হবে নাকি সব দলের বিশেষ করে আওয়ামী ও বিএনপির অংশগ্রহণে জনগণের ভোট দেওয়ার নির্বাচন হবে? এ প্রশ্নের ইতিবাচক উত্তর খুঁজতে গেলে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে কতগুলো বাস্তব পদক্ষেপ নিতে হবে যার ওপর মূলত নির্ভর করবে আগামী নির্বাচনের সম্ভাবনা।
২০ দলীয় তথা বিএনপি চেয়ারপারসসন এখন আদালতের সুনির্দষ্টি রায়ে কারাবন্দী যা আগামী নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণে প্রচণ্ড বাধা হয়ে দঁাড়াবে। হয়তো সরকার এ সমস্যাটিকে তেমন গুরুত্ব না দিয়ে এ নিয়ে বিকল্প কিছু ভাবছে যা সত্যিকারভাবে সমস্যার সমাধান না হয়ে বরং নির্বাচনকে আরও জটিল করে তুলবে। চেয়ারপারসালের মুক্তিও এখন বিএনপিকে নির্বাচনে নিয়ে আসা যাবে না। আদালতের অনভিপ্রেত রায় আগামী নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ প্রায় অসম্ভব করে ফেলেছে।

এখন খোদ চেয়ারপারসন জেলে থেকে বা জেল থেকে বেরিয়ে নিজের মুখেও নির্বাচনে অংশগ্রহণের কথা বলেন তাহলেও জনগণ বিশ্বাস করবে না যে তিনি নিজের ইচ্ছায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার কথা বলছেন।

জনগণ শতসদ্ধিভাবে ধরে নেবে যে এটি সরকার এবং বিদেশি শক্তির চাল এবং চাপ। কিন্তু বিএনপির অংশগ্রহণ ছাড়া আগামী নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করার কোনো বিকল্প সরকারের সামনে খোলা নেই যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিএনপির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক শক্তি।

মনে এ বিষয়টি সরকারের কাছেও গোপন নেই তাই সাম্প্রতিক সরকার বিএনপিকে তছনছ করে দেওয়ার জন্য বিএনপির নেতৃত্বের ওপরে প্রচণ্ডতম আঘাত হানার চষ্টো করছে। দলের চেয়ারপারসনকে জেলে দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, বিচার বিভাগের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ করে জামিনের পথও রুদ্ধ করে রেখেছে, তার উপরে এখন চড়াও হয়েছে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ওপর। খোদ প্রধানমন্ত্রী এখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসালের বিরুদ্ধে সরাসরি বক্তব্য রাখছেন যা খুবই চমকপ্রদ। কারণ এর মধ্যে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দুর্বলতাই প্রকাশ পাচ্ছে।

এ বক্তব্য অন্য কোনো নেতারা দিলে প্রধানমন্ত্রী অহেতুক সমালোচনার হাত থেকে বঁেচে যেতেন। যাই হোক বিএনপির নেতৃত্ব নিয়ে সরকার এখন বেপেরোয়া, তাই কোনো অবস্থাতেই চেয়ারপারসালের মুক্তির ব্যাপারে বা মুক্তি আন্দোলনে তিল পরিমাণ ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়।
বিএনপির নেতৃত্ব যেন সরকারের জীবন-মরণ সমস্যা, তাই যে কোনো মরণ কামড় দিতে সরকার এখন এতটুকু পিছপা হবে না বলেই মনে হয়।

তবে সরকারের এ কঠোর মরণ কামড় বা মাটি অঁাকড়ে ধরার নীতি সরকারকেই আরও জটিল রাজনৈতিক অবস্থার দিকে নিয়ে যাচ্ছে এবং আগামী নির্বাচনকে আরও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলে দিয়েছেন যে বর্তমান সরকারের মেয়াদ ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি শেষ হবে। এখন যদি এর আগে গ্রহণযোগ্য কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হয় তাহলে সংবিধানের অতিরিক্ত বিধান বলে ওইদিন সংসদ আপনা আপনি বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং বর্তমান সরকার পরবর্তী ৯০ দিন বা ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার হিসেবে ক্ষমতা অঁাকড়ে ধরে রাখতে পারবেন। কিন্তু ওই ৯০ দিনের মধ্যে যদি বিএনপির অংশগ্রহণে কোনো গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হয় তাহলে ২০১৯ সালের ২৮ এপ্রিলের পরে যে সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি হবে তা জাতির কাছে কখনোই কাম্য হতে পারে না। তাই ২০১৯ সালের ২৮ এপ্রিলের আগে অবশ্যই একটি নির্বাচন হতেই হবে তাতে বিএনপি আসুক বা না আসুক বা সেই নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হোক বা না হোক।

নির্বাচনের বিকল্প অনেক কিছু আছে কিন্তু সেগুলো নিয়ে জনগণ ভাবতে চায় না। সেই ভাবনাগুলো ষড়যন্ত্রকারীদের যারা লক্ষণীয়ভাবে আবার তত্পর। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের সমস্যা নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদেও ২২টি দেশের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করে গেল অথচ তারা কেউ জানার চষ্টো করলেন না রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মনোভাব কী বা তারা কীভাবে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান মনে করে।

নিরাপত্তা পরিষদের ভাবসাপ দেখে মনে হলো মিয়ানমার সরকারের মতো বাংলাদেশেও একনায়কতন্ত্রী সরকারের শাসন জারি আছে বলে তারা সম্ভবত মনে করে যার জন্য অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে দেখা বা আলোচনা করার প্রয়োজন হয়নি। এ বিষয়টি জনমনে নতুন ভীতি তৈরি করেছে অর্থাত্ আগামী নির্বাচনও ২০১৪ সালের মতো ভোটবিহীন নির্বাচন হতে যাচ্ছে এবং আগামীতে সরকারে কোনো পরির্বতন অন্তত নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য দেশগুলো দেখে না।

যার সোজাসুজি অর্থ দঁাড়াচ্ছে নিকট ভবিষ্যতে ২০ দলীয় জোটপ্রধানের মুক্তির ব্যাপারে নিরাপত্তা পরিষদের কোনো মাথাব্যথা নেই। অথচ এত দিন জাতি জেনে আসছিল যে পশ্চিমা শক্তিদের আশ্বাসে এবং প্রতিশ্রুতিতে ২০ দলীয় জোটপ্রধান গত আগস্ট মাসে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দিতে আহ্বান জানিয়েছিলেন যার তিন দিন পরে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দিতে নির্দেশ এবং এর প্রমাণ সরকারি দলিল দস্তাবেজেই আছে।

যাই হোক জনশ্রুতি আছে, কথা নাকি ছিল ২০ দলীয় প্রধান সেই আহ্বান জানালে জাতিসংঘের মহাসচিবের নেতৃত্বে চীন, রাশিয়া ও ভারত ছাড়া আমেরিকাসহ সব পশ্চিমা শক্তি ২০ দলীয় প্রধানের সঙ্গে থাকবে যার ফলে নেত্রী তড়িঘড়ি করে লন্ডন থেকে দেশে ফিরে এসে মামলাগুলোতে যথারীতিতে হাজিরা দিতে থাকেন।

জেল হওয়ার আগের রাতেও নেতৃ দৃঢ়চিত্তে সবার সামনে বলেছেন মামলায় উনার কিছুই হবে না এবং হলেও কেউ যেন সহিংস কোনো আন্দোলন না করে। নেত্রীকে ফঁাদে ফেলে সরকার এখন জাতিসংঘের সঙ্গে মিলে রোহিঙ্গাদের সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়, প্রয়োজনে আরেকটি ভোটারবিহীন নির্বাচন করে হলেও।

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে রোহিঙ্গা ইস্যতে ভারত, রাশিয়া চীনের সমর্থন তিনি পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্য খুবই অর্থবহ কারণ এ সরকারের হাতে সময় আছে আর মাত্র আট মাস কিন্তু রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হতে যত আন্তরিকতা ও দ্রুততার সঙ্গে করা হোক না কেন অন্তত আরও তিন বছর লাগবে। তার মানে বিদেশিরা এ সরকারকে আরও অন্তত তিন বছর ক্ষমতায় রাখতে তাদের নীতিগত সমর্থন দিয়ে দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য এবং নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধি দলের সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য রোহিঙ্গা সমস্যা এভাবে ফেলে রাখা যায় না’ (দৈনিক প্রতিদিন ১-৫-১৮ এর ১ম পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য) ও সেই সঙ্গে প্রতিনিধিদের অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা না করা, এ মিলে তিন বিষয়ের সহজ মোজেজা হলো চলমান সরকারের ধারাবাহিকতায় বিদেশিদের নীতিগত সম্মতি রয়েছে।

২০ দলীয় জোট নেত্রী অনির্দষ্টিকালের জেলে বন্দী, কোনো আন্দোলন করে বিএনপি যে তাদের নেত্রীকে খুব তাড়াতাড়ি বের করে আনতে পারবে তার কোনো লক্ষণও বিএনপির কার্যকলাপে দৃশ্যমান নয়, তাই নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধিদলের সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য Èরোহিঙ্গা সমস্যা এভাবে ফেলে রাখা যায় না’ খুবই যথার্থ। কাজেই বিদেশিরা কোনো আশায় বসে থাকবে তার চেয়ে বর্তমান সরকারের অবস্থান অনেক বেশি পরিষ্কার এবং তাদের প্রতিশ্রুতিও অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য।

কাজেই কোনো প্রকার অনিশ্চতায় না থেকে বর্তমান সরকারের ধারাবাহিকতাকে সাহায্য করা অনেক বেশি বুদ্ধিমানের কাজ হবে। জনগণের ধারণা বিদেশিরা তা-ই করতে যাচ্ছে, তাই জনগণ মনে করে দেশ আরেকটি ভোটারবিহীন নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে।

দেশ যে ভোটারবিহীন নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে তার পরেও সচেতন মানুষ মনে করে হয়তো সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং সরকার দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে একটি অংশগ্রহণমূলক গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যাবস্থা করবে। অংশগ্রহণমূলক গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে সরকারের ঝুঁকি বাড়বে এতে কোনো সন্দেহ নেই তবে সেই ঝুঁকি জনরোষে পড়ে ক্ষমতা থেকে নির্দয়ভাবে বিতাড়িত হওয়ার ঝঁুকির চেয়ে অনেক কম।

রাজনীতি বৈশাখের ঝড়ের মতো, যা বোঝার আগেই মুহূর্তেই সবকিছ উলট পালট করে দেয় তখন কাউকেই পাশে পাওয়া যায় না।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপি নির্বাচনে আসবে না, আসতে পারে না। তারপরেও রাজনীতিতে সবকিছু পরিবর্তনশীল।

সময়, প্রেক্ষাপট, সুযোগ বা সম্ভাবনা রাজনীতির সব সদ্ধিান্তকে উলট পালট করে দেয়। অসত্ বা নোংরা কূটচালের রাজনীতির পথে না গিয়ে সাহসের সঙ্গে ঝুঁকি নিয়ে বলিষ্ঠ রাজনৈতিক পদক্ষেপে হেরে গেলেও ব্যক্তি হারবে কিন্তু রাজনীতি হারবে না। তাছাড়া বিদেশিরা আবারও ভোটারবিহীন নির্বাচন তাদের কায়েমী স্বার্থে মেনে নিলে জনগণ যে তা নীরবে মেনে তার কিন্তু কোনো নিশ্চয়তা নেই। জনগণ এমনিতেই ক্ষেপে ফুলেফঁেপে আছে।

যে কোনো সময় বিস্ফোরিত হতে পারে। তেমন কোনো গ্রহণযোগ্য ইসু্য নেই তাই দৃশ্যত মনে হচ্ছে জনগণ ঠাণ্ডা শীতল। জনগণ কিছুই বোঝে না। কিন্তু জনগণ এবার জীবন দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে। বুকের তাজা রক্ত ঢেলে জনগণ এবার ভোটরবিহীন নির্বাচন ঠেকাবে। সরকারের নীলনকশায় সংসদ রেখে নির্বাচন জনগণ হতে দেবে না। সংসদ রেখে নির্বাচনের সাংবিধানিক বিধি জনগণের অভিপ্রায় নয়।

সরকারকে জনগণ মনে করিয়ে দিতে চায় সংসদ রেখে সাংবিধানিক বিধি জনগণ চায় না এ ধরনের কোনো অভিপ্রায় জনগণ কখনোই ব্যক্ত করেনি এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত কোনো সংসদও সেই বিধি প্রণয়ন করে নেই।

সংবিধানের ৭ এর (২) এ সংবিধানের প্রাধান্য হিসেবে সুস্পষ্ট সাংবিধানিক বিধি আছে যে, জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতনে্ত্রও সর্ব্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোনো আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসামঞ্জস্য হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে।’ যেহেতু এই মর্মে জনগণের কোনো অভিপ্রায় নেই এবং ছিল না তাই সংসদ বহাল রেখে সংসদ নির্বাচন জনগণ মানে না এবং মানবে না।

জনগণের প্রত্যাশা সরকার জনগণের বিপক্ষে কখনই অবস্থান নেবে না এবং দেশকে অরাজকতার দিকে ঠেলে দেবে না। এমনিতেই বর্তমানের অনেক সংসদ সদস্য পুলিশ পাহাড়া ছাড়া নির্বাচনী এলাকায় যেতে পারে না। বিগত সময়ে অনেক আকাম কুকাম তারা করেছে যার পাই পাই হিসাব জনগণ নেবে আগামী নির্বাচনের মাঠে, তখন পুলিশ দিয়েও তাদের রক্ষা করা যাবে না।

তাছাড়া তখন পুলিশকে কে রক্ষা করবে তা নিয়ে জনগণ আরও বেশি চিনি্তত তবে মিলিটারি না আবার নামে সেটাই জনগণের ভয়। এটি আমার কথা নয়। বাতাসের কথা যা কান পাতলেই শোনা যায়।

জনগণের প্রত্যাশা সরকার সংসদ ভেঙে নির্বাচন দিক, নির্বাচনে কোন দল বা কে এলো না এলো তা জনগণ বিবেচনা করবে না। সরকার কে থাকল আর না থাকল তা নিয়েও জনগণের কোনো ভাবনা নেই। জনগণ ভোট দিতে চায়, জনগণের ভোটের কি ক্ষমতা তা জনগণ দেখাতে চায়।

জনগণ সন্ত্রাস চায় না। চায় না বিদেশি আধিপত্য। জনগণ শানি্ত, ভোটাধিকার, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, সুযোগের সমতা, জীবন ও পেশার সম সুযোগ ও নিরাপত্তা, গণতানি্ত্রক রাষ্ট্রিীয় ব্যবস্থা, ন্যায় বিচারের নিশ্চয়তা এবং পুলিশের বাড়াবাড়ি থেকে মুক্তি চায়।

যে দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তি এ চাহিদাগুলো মেটানোর নূ্যনতম নিশ্চয়তা দিতে পারবে জনজোয়ার সেদিকেই ধাবিত হবে। মানুষ পরিবর্তন চায়।

এখন যেৌবন যার ক্ষমতায় আসার অধিকার তার। তাই জনগণ পরিবর্তন চায় নতুনের পক্ষে। পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়। মনে হয় পরিবর্তন এবার হবেই হবে। ওই নতুনের কেতন ওড়ে কালবৈশাখী ঝড়, তোরা সব জয়ধ্বনি কর। তোরা সব জয়ধ্বনি কর।

লেখক: সাবেক সংসদ সদস্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published.